বিশেষ প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ থেকে টাকা মেরে দেশ ত্যাগ, ভারতে অবৈধ পাড়ি ধরা খেয়ে বলেন সংখ্যা লুঘু নির্যাতন।
বাংলাদেশের চট্টগ্রামের সনাতনী হিন্দু শান্তনু দেবনাথ ও তাঁর স্ত্রী অবৈধ পথে সীমান্ত পার হয়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলায় পুলিশের হাতে ধরা খাওয়ার পর বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের গল্প ফাঁদেন।
কিন্তু এতে শেষ রক্ষা হয়নি।
পুলিশের জেরার মুখে ফাঁস করে দেন আসল কাহিনী তিনি যে সস্ত্রীক ভারতে স্থায়ী হবার জন্য এসেছেন সেই মূলকথা প্রকাশ করে দেন।
বর্তমানে তিনি ত্রিপুরা পুলিশের রিমান্ডে আছেন।
ভারতের টাইমস অফ ইন্ডিয়া পত্রিকার সূত্র ধরে বাংলাদেশের দৈনিক ইনকিলাব সহ বেশ কয়েকটি পত্রিকা সংবাদটি প্রকাশ করেছেন।
এই ঘটনা থেকে ৩ টি বিষয় সামনে এসেছে প্রথম বিষয় হলো বাংলাদেশের এক শ্রেণীর হিন্দু বাংলাদেশের হিন্দু ও মুসলমান সহ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে ভারতে পাড়ি দিচ্ছেন।
দ্বিতীয় বিষয় হলো বাংলাদেশের প্রতারক হিন্দু ভারতে গিয়ে হিন্দু নির্যাতনের গল্প ফাঁদছেন।
যে গল্পের কারণে বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশের সুনামক্ষুন্ন হচ্ছে।
এই প্রতারক দম্পতি আজ যদি চলন্ত বাসে পুলিশের হাতে ধরা না খেতেন,তাহলে তাদের ভারতে আশ্রয় দেওয়া আত্মীয়ের মাধ্যমে ঠিকই বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতনের গুজব বাস্তবায়ন করতে সমর্থ হতেন।
তৃতীয় বিষয়টি বাংলাদেশের গরীব হিন্দুদের জন্য শিক্ষণীয় বিষয়।
বাংলাদেশের গরীব হিন্দুরা যদি ভারতে গিয়ে ধরা খান,তাহলে আপনাদের স্থান হবে ভারতের জেলখানা অথবা ডিটেনশন ক্যাম্প।
গরীব হিন্দুরা মনে রাখবেন বাংলাদেশের ধনী হিন্দুরা টাকার বিনিময়ে ভারতের নাগরিকত্ব পেলেও, আপনার মতো কামলা খাটা গরীব হিন্দুর ভারতে কোন মূল্য নেই।
তাই বাংলাদেশের ভারতের দালাল হিন্দুদের কথায় কর্ণপাত না করে বাপদাদার ভিটেমাটির জন্মভূমি বাংলাদেশকে ভালবাসুন।
বাংলাদেশ আপনার /আমার /আমাদের সবার দেশ।
বাংলাদেশ হোক আপনার /আমার /আমাদের জীবনের শেষ ঠিকানা।
সনজীত কুমার দে।







