নয়ন সাধু হত্যাকাণ্ড: সাংবাদিককে হুমকির ঘটনায় পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্বেগ ও নিন্দা
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
কক্সবাজারের খুরুশকুলে আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর সন্ন্যাসী নয়ন সাধু হত্যাকাণ্ডের প্রায় তিন মাস পর একজন আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় বর্তমান সরকার ও প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কক্সবাজার সদর উপজেলা ও পৌর শাখা।
তবে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন ও আসামি গ্রেপ্তারের সংবাদ প্রকাশের জের ধরে পূজা উদযাপন পরিষদ নেতা ও সাংবাদিক অন্তর দে বিশালকে প্রশাসনের কর্মকর্তা পরিচয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগষ্ট) রাতেই গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এসব কথা জানান।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কক্সবাজার সদর উপজেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক শুভরাম দাশের স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংবাদিক অন্তর দে বিশালকে হুমকি দেওয়ার ঘটনার ছয় দিন অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত হুমকিদাতাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পারেনি প্রশাসন। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন সাংবাদিক সত্য উদঘাটন করে সংবাদ প্রকাশের কারণে যদি ভয়ভীতি, হুমকি কিংবা মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর আশঙ্কায় থাকেন, তাহলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের জন্য গুরুতর হুমকি। এতে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হয়।
তারা প্রশ্ন রাখেন, একজন সাংবাদিক সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে যদি হুমকির মুখে পড়েন, তাহলে সাধারণ নাগরিকের হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা ও সত্য উদঘাটনে সাংবাদিকরা কীভাবে স্বাধীনভাবে কাজ করবেন?
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কক্সবাজার সদর উপজেলা ও পৌর শাখার নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, সাংবাদিক অন্তর দে বিশালকে হুমকি দেওয়ার ঘটনাটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত হুমকিদাতাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অনতিবিলম্বে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হুমকিদাতাকে শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
সাংবাদিকরা যাতে স্বাধীন ও নিরাপদ পরিবেশে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নয়ন সাধু হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কক্সবাজার সদর উপজেলা ও পৌর শাখা।








