খুরুশকুলে বইছে নির্বাচনী হাওয়া, সাধারণ মানুষের আলোচনায় মোঃ নাছির উদ্দিন।
আনোয়ার হোছন:
কক্সবাজার সদর উপজেলার ৪নং খুরুশকুল ইউনিয়নে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার আগেই ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গন সরগরম হয়ে উঠেছে। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে আলোচনা, হিসাব-নিকাশ ও নানা জল্পনা-কল্পনা।

ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, বাজার, চায়ের দোকান, পথসভা, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান সবখানেই নির্বাচনের প্রসঙ্গ উঠে আসছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের অতীত কর্মকাণ্ড, জনসম্পৃক্ততা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করছেন স্থানীয়রা।স্থানীয়দের আলোচনায় শীর্ষে আছে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিনের নাম। দায়িত্ব পালনকালে তাঁর নিরবিচ্ছিন্ন নাগরিক সেবা প্রদান, বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে তাঁর সম্পৃক্ততার বিষয় গুলো নিয়েই আলোচনা করছেন সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে সম্ভাব্য অন্যান্য প্রার্থীদের নিয়েও চলছে বিশ্লেষণ।

এদিকে সম্ভাব্য প্রার্থীরাও নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে গণসংযোগ, কুশল বিনিময়, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের কার্যক্রম তুলে ধরছেন। ফলে দিন যত এগোচ্ছে, খুরুশকুলের নির্বাচনী পরিবেশ ততই জমে উঠছে। তাই তফসিল ঘোষণার আগেই ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন সমীকরণের হিসাব।
স্থানীয়দের ধারণা, নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করার পর খুরুশকুলের নির্বাচনী মাঠ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে এবং প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা নতুন গতি পাবে।

খুরুশকুলের ৯টি ওয়ার্ডের বেশকিছু সাধারণ মানুষের সাথে কথা হয় প্রতিবেদকের। তারা বলেন-“আমরা খুরুশকুলে অতীতে অনেক চেয়ারম্যান দেখেছি কিন্তু ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ নাছির উদ্দিনের মত কোন চেয়ারম্যান দেখিনি। তিনি খুরুশকুলের মানুষকে যেভাবে নিরবিচ্ছিন্নভাবে নাগরিক সেবা দিচ্ছে তাঁকে খুরুশকুলের মানুষ কোনদি ভুলবে না। তিনি খুরুশকুলের বিভিন্ন মসজিদ, মন্দিরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেভাবে অনুদান দিয়েছেন তা অতীতের কোন চেয়ারম্যান দেননি। তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে খুরুশকুলের প্রত্যেকটা অলিতে গলিতে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগিয়ে খুরুশকুলের চেহারা প্রায় পাল্টে দিছে। এরকম জনপ্রতিনিধি থাকলে আমাদের আর কিছু দরকার নাই। আমরা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ নাছির উদ্দিনকে আবারো চেয়ারম্যান হিসাবে পেতে চাই”।
স্থানীয় বিএনপির বেশ কয়েকজন তৃণমূলের নেতা-কর্মী বলেন- “আমরা স্বৈরাচার সরকারের আমলে কোন নির্বাচনে ভোট দিতে পারিনি। এবার আমরা আশা করছি ভালোভাবে ভোট দিতে পারবো এবং সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন করতে পারবো। তারা আরো বলেন- এবারে নির্বাচনে যেহেতু দলীয় প্রতীক থাকছে না, সেহেতু দলীয় সমর্থনে প্রার্থী বাছাই করতে হাই কমান্ডকে সতর্ক থাকতে হবে। এমন কোন প্রার্থীকে সমর্থন করা যাবে না, যারা অতীতে জনগনের সাথে ছিল না। যদি তৃণমূল যাচাই-বাচাই না করে দল প্রার্থী দেই, তাহলে ঐ প্রার্থীর ভরাডুবি হবে অবশ্যই। প্রয়োজনে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সমর্থন /ভোটের মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করার অনুরোধ করেন এসব নেতাকর্মীরা। তৃণমূলের মতামত জরিপে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ নাছির উদ্দিন এগিয়ে থাকবে বলে মনে করেন তারা।







