পৌর কাউন্সিলর জামশেদ এর বিরুদ্ধে ত্রাণ ও রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ!

নিজস্ব প্রতিবেদক::

কক্সবাজার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশরাফুল হুদা সিদ্দিকী জামশেদ এর বিরুদ্ধে ত্রাণ ও রেশন কার্ড বিতরণে রোহিঙ্গা প্রীতি, স্বজন প্রীতি ও রাজনীতিকরণের অভিযোগ স্থানীয়দের।

মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে দেশব্যাপী লকডাউন করা হয়েছে।এর ফলে অনাহারে-অর্ধাহারে দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে সমাজের খেটে খাওয়া দিনমজুর ও নিম্নবিত্ত-নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষেরা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সরকার দেশব্যাপী এই সমস্যা লাগবের জন্য গরীব-অসহায় মানুষদের জন্য ত্রান ও রেশন কার্ডের ব্যবস্থা করেছে।যা স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সর্বত্র বণ্টন করা হচ্ছে।
কিন্তু সেই ত্রাণ ও রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়ম দেখা দিয়েছে কক্সবাজার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে।

স্থানীয়দের মতে,৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তার আস্তাবাজন,গত পৌরসভা নির্বাচনের সময় তার পক্ষে কাজ করা ব্যাক্তি ও নিজ রাজনৈতিক মতাদর্শের লোকদের দেখেদেখে ত্রাণ ও রেশন কার্ড বিতরণ করছে।এতে বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত খেটে-খাওয়া দিন মজুর গরীব-অসহায় মানুষেরা।কাউন্সিলর জামশেদ বিএনপির রাজনীতি করায় তার দলীয় লোকদের ত্রান-রেশম কার্ড বিতরণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।এছাড়া ত্রান দেওয়ার নাম করে অনেকের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি নিলেও,পরবর্তীতে আর কোন খবর রাখেননা তিনি।
কাউন্সিলরের এহেন কর্মকান্ডের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকেও ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি।
এই বিষয়ে কক্সবাজার পৌর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর আলম বলেন,”অতীতেও টাকার বিনিময়ে অত্র এলাকার কাউন্সিলর অনেক রোহিঙ্গা কে জাতীয় পরিচয় পত্র করিয়ে দিয়েছেন।এই অভিযোগে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার শিমুল শর্মা বাদী হয়ে মামলা করেন,যা এখনো বিচারাধীন রয়েছে ।
তাছাড়া ঐ রোহিঙ্গা গুলো পৌর নির্বাচনে তার রিজার্ভ ভোট হিসেবে কাজ করে।এবার রোহিঙ্গাদের আরো বেশি আশীর্বাদ পুষ্ট হওয়ার জন্য ত্রান ও রেশম কার্ডও দিচ্ছেন। এমনকি অন্য রাজনৈতিক মতাদর্শের লোকজন কে এই ত্রান কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।”
এই বিষয়ে পূর্ব পাহাড়তলীর বিশিষ্ট সমাজসেবক ফোরকান আহমেদ বলেন, “প্রকৃতপক্ষে যাদের ত্রাণ দরকার তারা ত্রাণ পাচ্ছে না, কেবল কাউন্সিলরের পছন্দের লোকদেরই দেওয়া হচ্ছে।যা কোনোমতেই কাম্য নয়।”
এই বিষয়ে জানতে ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশরাফুল হুদা সিদ্দিকী জামশেদ এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে হলেও ফোন সংযোগ না পাওয়ায় মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*