রেঞ্জ অফিসারসহ আহত ৭,আসামী ছিনতাই

জসিম সিদ্দিকী, কক্সবাজার:কক্সবাজারের টেকনাফ উপকুলে ঝাউ বাগান নিধনে বাঁধা দিতে গিয়ে হামলায় রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৭ জন আহত হয়েছে। এ সময় হামলাকারীরা ৩ কাঠ চোরকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। ওই সময় আত্নরক্ষার্থে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ২৮ মে দিবাগত রাতে টেকনাফের উপকূলের বাহারছড়ার শীলখালীতে এ ঘটনা ঘটে। ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে একজনকে ৩ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন।
জানা যায়, ২০০৮ সালে সৃজিত টেকনাফের উপকূলীয় এলাকার বাহারছড়ার শীলখালী ঝাউ বাগানে গত রাতে স্থানীয় কাঠ চোরেরা ঝাউ বাগান উজাড়ের সংবাদ পেয়ে উপকুলীয় বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা লোকজন নিয়ে অভিযানে গিয়ে ৩ জন কাঠ চোরকে আটক করে। ধৃত কাঠ চোরদের টেকনাফে আনার পথে ৭০-৮০ জনের সংঘবদ্ধ কাঠ চোর তাদের উপর হামলা চালায়। এতে উপকুলীয় বন বিভাগের টেকনাফ রেঞ্জ অফিসার শ্যামাপদ মিশ্র, বিশেষ টহল বাহিনীর সহ-অধিনায়ক আহসানুল কবির, উপকুলীয় বন বিভাগের শীলখালী ক্যাম্প ইনচার্জ মাহফুজুল আলম, ফরেস্ট গার্ড মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, ফরেস্ট গার্ড নুরুজ্জামান, ফরেস্ট গার্ড শীপন রেজা, ফরেস্ট গার্ড নন্দ দুলাল রায় আহত হন। এসময় বিশেষ টহল বাহিনীর সহ-অধিনায়ক আহসানুল কবির আত্মরক্ষার্থে ৫ রাউন্ড ফাঁকাগুলি বর্ষণ করলে কাঠ চোরেরা ধৃত ৩ জনকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। ছিনিয়ে নেয়া ধৃত ৩ জন কাঠ চোর হলেন বাহারছড়া উত্তর শীলখালী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে রহিম উল্লাহ, আবুল কাসেমের ছেলে মনসুর আলম, আবুল কালামের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম।
এব্যাপারে উপকুলীয় বন বিভাগের টেকনাফ রেঞ্জ অফিসার শ্যামাপদ মিশ্র ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন সরকারী কাজে বাধা প্রদান, কাঠ চুরি ও হামলার অভিযোগে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হবে।

মতামত দিন