বিমানবন্দর উন্নয়ন আশ্রয়ন প্রকল্পের কাজ শেষের পথে

তারেকুল ইসলাম:কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আর্ন্তজাতিক মানে উন্নীতকরণ ও সম্প্রসারন করার লক্ষ্যে বিমানবন্দর উন্নয়ন আশ্রয়ন-২ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন কাজ সম্পন্ন হতে চলেছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দক্ষ ও সুসজ্জিত একটি দল সরজমিনে কাজটি দেখভাল করছেন। প্রতিনিয়ত পরিদর্শনে আসা উদ্ধর্তন মহল ও স্থানীয় জনগোষ্টি আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের কাজের কার্যক্রম বাস্তবায়ন দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

জানাগেছে, ক্ষতিগ্রস্থ ভুমিহীনদের প্রধানমন্ত্রীর অগ্রধিকারভুক্ত বিশেষ আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল মৌজার মহেশখালী চ্যানেল পাড় এবং বাঁকখালী নদীর তীরে শ্লোপ প্রেটেকশনসহ বাঁধ নির্মাণ, খাল খনন, স্লুইজ গেইট নির্মাণ এবং মাটি ভারাট ও ভুমি উন্নয়নের কাজটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপর অর্পিত হয়। প্রকল্প পরিচালকের দিকনির্দেশনা মোতাবেক বাংলাদেশ নৌ বাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড নারায়নগঞ্জ কর্তৃক ১০টি ড্রেজার, ২০টি স্কেভেটর, ৮০‘র’ অধিক অন্যান্য মেশিনারীসহ কয়েক শত শ্রমিক নিয়ে অত্যান্ত সুন্দর ও সু-নিপুনভাবে প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতি কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। 
পরিমাপ ও পরিমাণ নির্ধারনের জন্য এখানে রয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং নৌ-বাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লি.কর্তৃক নিয়োজিত প্রকৌশলীসহ সার্ভেয়ার। এছাড়া কাজটি সরজমিনে দেখার জন্য রয়েছে বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর লেঃ পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা ও সুসজ্জিত দল।
প্রকল্প উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা ডিইডাব্লিউ লিঃ নৌ-বাহিনীর লেঃ অব. সরদার বেল্লাল হোসেন জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রধিকারভুক্ত এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিসহ সাধারণ জনতা। কাজটি দেখার জন্য বাংলাদেশ সরকারের অনেক উদ্ধর্তন কর্মকর্তারা প্রায় সময় প্রকল্প স্থলে আসেন। ইতোমধ্যে প্রকল্পস্থলে পর্যটকসহ ভ্রমন পিপাসুরাও আসতে শুরু করেছে এবং তারাও প্রকল্প কার্যক্র

মের উন্নয়নগতি দেখে প্রতিনিয়ত মুগ্ধ হচ্ছেন। এদিকে বর্ষাজনিত কারণে কিছুটা সমস্যা হলেও বর্তমানে কাজটি দ্রুত গতিতে চলছে। তিনি বলেন, সবকিছু ঠিকটাক থাকলে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী পরিচালিত অংশের কাজটি অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান বাড়ীঘর, হাট বাজার, স্কুল, কলেজ, টাওয়ার, মসজিদ, মাদ্রসা, সুটকি পল্লী ইত্যাদির সম্পন্ন হলে এ অঞ্চলের মানুষে জীবন যাত্রার মান আরো উন্নত হবে।

মতামত দিন