সৈকত নগরী কক্সবাজারে পর্যটকদের ভিড়

কক্সবাজার: এবারের ঈদে লাখো মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়েছে পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার। টেউয়ের তালে নোনা জলে মেতেছে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা। কেউ গাইছে গান, কেউবা দলবেঁধে টেউয়ের তালে লাফাচ্ছে উষ্ণ পানিতে।
ঈদের ৪র্থ দিনে শুধু সাগরপাড় নয় কক্সবাজার জেলার সকল পর্যটন স্পট লোকে লোকারণ্য হয়ে উঠেছে। জেলা প্রশাসন কিংবা বেসরকারি কোনো আয়োজন না থাকলেও উৎসবের নগীরতে পরিণত হয়েছে পর্যটন জেলা কক্সবাজার।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ড. এ কে এম ইকবাল হোসেন বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারো কক্সবাজার জেলায় লাখো পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। তাদের নিরাপত্তায় জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সার্বিক ব্যবস্থা নিয়েছে।
পর্যটন স’ত্র জানায়, কক্সবাজার শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল, কটেজ ও ফ্ল্যাটে রয়েছে প্রায় আড়াই লাখ পর্যটক। এর সাথে যোগ হয়েছে কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত প্রায় ৫০ হাজার পর্যটক। সব মিলিয়ে উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে কক্সবাজার। এছাড়াও ইনানী সমুদ্র সৈকত, হিমছড়ি, দরিয়ানগর, কলাতলী, সুগন্ধা পয়েন্ট, লাবনী বিচ পয়েন্টে পা ফেলার জায়গা নেই।
কক্সবাজারের বিভিন্ন বৌদ্ধ মন্দির, বার্মিজ মার্কেট, রামুর রামকোট বিহার, ১০০ ফুট শয্যা বৌদ্ধম’র্তি, নাইক্ষ্যংছড়ির লেক, চকরিয়ার সাফারি পার্কসহ সব পযটন স্পট পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি ওমর সুলতান বলেন, আশানুরূপ পর্যটক এসেছে। সমিতির অর্ন্তভুক্ত সবগুলো হোটেল শতভাগ বুকিং রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে কক্সবাজারে প্রায় ৩ লাখ পর্যটক রয়েছে।
কক্সবাজার রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, পর্যটক বরণে সব ধরনের প্রস্ততি নেয়া ছিল। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়েছিল। সৈকত ঝিনুক মার্কেটের সভাপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, পর্যটক আসতে শুরু করেছে। বিকিকিনিও ভালো হচ্ছে।

মতামত দিন