শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে সনাতন সম্প্রদায়ের মাঝে আমেজ

শাহ জাহান চৌধুরী শাহীন: সার্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে দু’লক্ষাধিক সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবের আমেজ। প্রতিমা তৈরি সম্পন্ন অতপর তুলির শেষ আচড়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন শিল্পীরা। মন্ডপে-মন্ডপে আর ঘরে-ঘরে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সনাতন সম্প্রদায়ের বৃহত্তম এ উৎসবকে নির্বিঘ করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
সরেজমিন দেখা গেছে, আশ্বিনের সাদা মেঘের ভেলা আর সাদা কাশফুলের দোলা-জানান দিচ্ছে দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা। শিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় খড় আর মাটির মিশ্রণ বিমূর্ত হয়ে উঠছে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমাগুলো। শিল্পীদের রং তুলির ছোঁয়ায় বর্ণিল হয়ে উঠছে মন্ডপে মন্ডপে প্রতিমা। এবারে কক্সবাজার জেলার ৮ উপজেলায় ৩০১টি মন্ডপে সারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে ১৪১টি প্রতিমা ও ১৬০টি ঘটপূজা। ১৯ অক্টোবর বিজয়া দশমীর দিনে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্যদিয় সম্পন্ন হবে দুর্গোৎসব। আর সার্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবের আমেজ।
কক্সবাজার জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট রনজিত দাশ বলেন, পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেলায় ৩০১টি মন্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশে সার্বজনীন শারদীয়া দুর্গোৎসব উদযাপনের সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে । কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইেকবাল হোসাইন বলেন, জেলায় শারদীয় দুর্গোৎসবকে নির্বিঘœ করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তিন স্থরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রতিমা তৈরি এবং ম-পগুলোকে ঘিরে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পোষাকধারী পুলিশ, আনসার, গোয়েন্দা পুলিশ দিয়ে প্রতিটি পুজা মন্ডপ আগলে রাখার পাশাপাশি বিসর্জনের দিন সৈকত এলাকায় অতিরিক্ত সাড়ে চার শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হবে। আগামী ১৯ অক্টোবর বিজয়া দশমীর দিনে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে লাখো পর্যটকসহ পুজারীদের উপস্থিতিতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয় সম্পন্ন হবে সনাতন সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মানুষ্ঠান সার্বজনীন দুর্গোৎসব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*