মিয়ানমার থেকে রেকর্ড সংখ্যক কোরবানি পশু আমদানি

জসিম সিদ্দিকী, কক্সবাজার: ২২ আগস্ট পবিত্র ঈদুল আজহা। এ শেষ সময়ে কক্সবাজারে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। কক্সবাজারের ৪৪টি পশুর হাটে পর্যাপ্ত পরিমাণ দেশীয় গবাদিপশুর আমদানি হয়েছে। এর সঙ্গে বাজারে আসছে ভারত ও মিয়ানমার থেকে আমদানি করা গবাদিপশু। সব মিলিয়ে শেষ মূর্হতে জমে উঠেছে কক্সবাজারের বিভিন্ন কোরবানি পশুর হাট।
তবে গত কয়েকদিন ধরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ করিডর দিয়ে মিয়ানমার থেকে পশু আমদানি এক প্রকার বন্ধ ছিল। কিন্তু গত শুক্রবার থেকে আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে আসায় ২০ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ১১ হাজার গবাদি পশু আমদানি করেছে আমদানিকারকরা।
টেকনাফ করিডর পশু আমদানিকারক সমিতির সভাপতি ও টেকনাফ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আব্দুল্লাহ মনির বলেন, এবারে কোরবানিতে আমাদের লক্ষ্য ৩০-৪০ হাজার পশু আমদানি করা। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে সে লক্ষ্যমাত্রায় পারব কি-না বুঝতে পারছি না। এরপরও গতকাল পর্যন্ত টেকনাফ করিডর দিয়ে ১০ হাজার ৬০৩টি পশু বাংলাদেশে আনা সম্ভব হয়েছে।
টেকনাফের পশু আমদানিকারকরা বলেন, বৈরি আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল থাকায় গত কয়েক দিন মিয়ানমার থেকে গবাদি পশু বোঝাই কোনো ট্রলার করিডরে আসতে পারেনি। তবে এখন বৈরি আবহাওয়া কেটে যাওয়ায় মিয়ানমার থেকে পশু আমদানি আবারো শুরু হয়েছে। আশা করছি আজ ২১ আগস্ট পর্যন্ত আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে মিয়ানমার থেকে রেকর্ড পরিমাণ গবাদি পশু আমদানি করা সম্ভব হবে। এতে দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ বিভিন্ন পশুর হাটে কোরবানির পশুর চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি হতে পাবে।
টেকনাফ শুল্ক স্টেশন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও পশু আমদানিতে ৫৩ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে সরকার শাহপরীদ্বীপ করিডোরে কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কক্সবাজারের একাধিক ইজারাদার জানান, সার্বিক বিষয়ে নজরধারি করছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারিরা।

মতামত দিন