প্রধানমন্ত্রীর সফরে তিস্তা চুক্তির অগ্রগতি হবে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই ভারত সফরে তিস্তা চুক্তি না হলেও অগ্রগতি হবে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি ভালো। চুক্তি যেকোনো সময় হতে পারে।’

আজ শুক্রবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আধুরিয়া এলাকায় ভুলতা উড়ালসড়কের সাইড অফিসে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের যানজট নিরসনে করণীয়বিষয়ক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কলকাতায় গেছেন। সেখানে নরেন্দ্র মোদি, মমতা ব্যানার্জি থাকবেন। আমি এখানে বসে বলতে পারি না ফলাফল কী হবে। তবে এটা বলতে পারি, এই সফরে তিস্তা চুক্তি না হলেও অগ্রগতি হবে।’

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার একদিকে বাংলাদেশে স্রোতের মতো রোহিঙ্গা পাঠিয়েছে, অন্যদিকে এর সঙ্গে সুনামির মতো মাদক বাংলাদেশে এসেছে। মিয়ানমার শুধু রোহিঙ্গা পাঠায়নি, ইয়াবাও পাঠিয়েছে। কাজেই আমাদের সবার এখানে ঐক্যবদ্ধ হওয়া দরকার। ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘এখানে আমরা কাউকে ছাড় দিইনি, সে যে-ই হোক। অভিযোগ যদি তদন্তে প্রমাণিত হয়, অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি যেই হন, যেই জায়গায় থাকেন, জনপ্রতিনিধি হন, নেতা হন, বড় রাজনীতিক হন—কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। রাঘববোয়াল থেকে চুনোপুঁটি—কেউ ছাড় পাবে না। নেটে সবাইকে আনা হবে, শুরু হয়েছে দেখতে পাবেন।’

যানজটের বিষয়ে মন্ত্রী পুলিশদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘যখনই কোনো সড়ক মহাসড়কে যানজট পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, তখন উল্টো পথে যাতে কোনো গাড়ি আসতে না পারে। উল্টো পথে আমার গাড়ি এলে জরিমানা করবেন।’

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর, নজরুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান প্রমুখ।

মতামত দিন