পাহাড়তলী সমিতির ২২ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর প্রতিবাদ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:গত ১০ মে কক্সবাজার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডস্থ বহুল পরিচিত “পাহাড়তলী জনকল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির ব্যানারে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পুর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট।

“পাহাড়তলীর সমিতিতে জমানো টাকা ফেরত চাইলে হত্যার হুমকি দিচ্ছে : ২২ লাখ টাকা আত্নসাৎ”

শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান বাবুল’গং দারা সমিতির নামে ক্রয়কৃত জমি আত্মসাতের কো-মানষে ভিন্ন পন্থা অবলম্বনের বহিঃপ্রকাশ বলে জানিয়েছেন বর্তমান সভাপতি সামশুল আলম ক্যাশিয়ার মোবারকসহ সমিতির সংশ্লিষ্ট অনেকে।

সভাপতি গং,র তথ্য মতে সমিতি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অগোচরে কিছু সরলমনা মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হবে বলে একজায়গায় জমায়েত করে কুচক্রী গংয়ের সদস্যরা মিথ্যা অযুহাতে স্বনামধন্য সমিতিটির দুর্নাম সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।

পরবর্তীতে সংবাদ কর্মীদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা ছাড়াও একই ভাবে প্রশাসনের নিকট লিখত অভিযোগ করেন যা এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।

সভাপতি জানান,২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বর্তমানে ২০৯ সদস্যের এই সমিতির নিজস্ব তহবিলের অর্থ সামাজিকতা ছাড়াও সমিতির বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয়।

প্রতিষ্ঠা পরবর্তীতে সমিতির নিজস্ব অর্থে সমিতির নামে ক্রয় করা হয় ব্যাটারী চালিত দুটি টমটম গাড়ি ১২ শতক খাস জমি।

এছাড়াও ইতিপূর্বে সমিতির টাকায় অনেক জমি ক্রয় বিক্রয় করে সকলে লভ্যাংশের ভাগিদার হয়েছেন।

তারই ধারাবাহিকতায় কুৎসা রটনো গংয়ের নায়ক অত্র সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান বাবুলের ভিন্ন যৌথ দখলীয় মালিকানাধীন গংয়ের নিকট হতে সমিতির নামে লাইট হাউস এলাকায় দশ লাখ টাকা মুল্যে ১৬ শতক জমি করা হয়।

কিন্তু,সমিতির পক্ষে প্রতিনিধিত্বের সুবাধে সহজ সরল সদস্যদের ধোকা দিয়ে উক্ত ১৬ শতক জমির ৮ শতক নিজের নামে মালিকানা দলিল করে নেয়।

পরবর্তীতে অন্য সকল সদস্যদের চাপের মুখে আত্মসাৎ কৃত জমি সমিতির নামে হস্তান্তর করবেন বলে কালক্ষেপণ করে আসলে ও সম্প্রতি সময়ে সমিতি পক্ষ থেকে তাগাদা দেয়া হলে তিনি সকলের বিরুদ্ধে ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করার অপচেষ্টায় মরিয়া হয়ে পড়েন।

বাবুলের এই আত্মসাৎ সিন্ডিকেটে যুক্ত করেন সমিতির সদস্য মোঃকায়েস উদ্দিন, মো: ইসমাইল এবং আবুল হোসেনকে।

সমিতির ক্যাশিয়ার মোবারক বলেন, জমি আত্মসাৎ ছাড়াও এই বাুবল গত ২০১৮ সালে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাঁশের ব্যবসা করার অযুহাতে সমিতির তহবিল থেকে ২ লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ করে।

উক্ত টাকায় পরিচালিত বাঁশের ব্যবসার লভ্যাংশ থেকে তিন ভাগের এক ভাগ সমিতির ফান্ডে দেয়া হবে বলে চুক্তি বদ্ধ হলে আজ-অব্দি এই টাকার লাভ-আসল কোনটিরই হদিস নেয়।

যা শুধুমাত্র বাবুলের আত্ম ক্ষমতার দাপট।এবং টাকার জন্য বারবার তাগাদা দেয়া হলেও তিনি তা পাত্তাই দেয়না।

পরিশেষে সমিতির সচেতন সকল সদস্যরা একযোগে ক্রয়কৃত জমি এবং ঋণের টাকা পরিশোধ করার জন্য পেসার প্রয়োগ করলে অবুঝমনা গুটিকয়েক সদস্যদের ধোকা দিয়ে পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে সমিতিতে আত্ম কোন্দল সৃষ্টির পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে।

সমিতির সদস্য উক্ত ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর আলমের তথ্য মতে, করোনার দোহাই দিয়ে বাবুলসহ মুষ্টিমেয় কয়েকজন কুচক্রী মহল স্বনামধন্য এই সমিতিকে জড়িয়ে যেসকল কুৎসা রটাচ্ছে তার কোন ভিত্তি আছে বলে আমি মনে করিনা।

যেহেতু বাবুল নিজেই কৌশলে সমিতির বিশাল একটা ক্ষতি করছে তার নিজের অপকর্ম ঢাকতে সে অসহায় লোকজনকে জিম্মি করে তার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে।

সমিতির নীতিমালা অনুযায়ী কোন সদস্য নিজ থেকে সদস্যপদ অব্যাহতি দিতে চাইলে অবশ্যই তার প্রাপ্য অর্থ ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

এবং অনেককে দেয়া হয়েছে।বাবুলের এই আচরণ খুবই নিন্দনীয়।

তাছাড়া দাঙ্গা হাঙ্গামার ইস্যু তো দুরের কথা উত্তেজনা মূলক কোন কথা ও তাদের সাথে কেউ বলেনি।

তাই প্রকাশিত সংবাদের জন্য আমরা তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সেই সাথে জনকল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির বিরুদ্ধে আনিত মিথ্যা অপপ্রচারে প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদ কারি
শামসুল আলম(সভাপতি)
মো:মোবারক (ক্যাশিয়ার)
মো:জাফর আলম(সদস্য)

পাহাড়তলী জনকল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*